শিশু শিক্ষা (sonnet)




শিশুকে গড়ে তুলতে সতর্কতা নাও।
শিশুদের কাছাকাছি ঝগড়া করনা ;
অন্যান্য কোন খারাপ আচরনও না ;
তার চক্ষুর সীমায় সাধুতা দেখাও।
নিখুঁতভাবে যা জানো শুধু তা শেখাও।
মিথ্যে কিংবা চোঁখে ধাঁধা উৎপন্ন করনা।
বাস্তব ও যুক্তি দিয়ে জাগাও কল্পনা।
নিরাশ করনা কাজে উদ্দীপনা দাও।

তুমি নেশাতে অভ্যস্ত যা ছাড়তে নত
সুরা ফাতিহা শিখেছ ভুলতে পারনি।
তবে শিশু শিক্ষা ভোলে কেন আস্থা অত?
বুদ্ধি ফোটে শিশুকালে তা তুমি জাননি?
ভুল শিক্ষা করে দিবে তাকে অবক্ষয়।
তিব্র শ্রমে সাবধানে শিক্ষা দিতে হয়।

____ঢাকা ১৪/০৩/২০১৬

ভ্রাতৃত্ব বোধ (Sonnet)





দুঃখ ভাগ করে নাও ; দুঃখ কমে যাবে
সামান্য এ নব দুঃখে কিছুই হবে না
সেই দুঃখ জীবনকে নোয়াতে জানেনা ;
বরং কর্তব্য সাধ্যে আত্ম তৃপ্তি পাবে
সুখ ভাগ করে দাও ; সুখ বেড়ে যাবে
কোন সুখ বিসর্জনে প্রশান্তি কমে না ;
ঐ সুখের ভাগাভাগি আধার ডাকে না ;
বরং সুখ বিলিয়ে আত্ম তৃপ্তি পাবে

মোরা পৃথিবীতে সবে একই মানুষ
একজনই আমাদের উচ্চ-আদি পিতা
ভ্রাতৃত্ব-বোধে উচিত রাখা সদ্য হুশ
নয়ত হবে না তব  মনুষ্যত্বে জিতা
আজ তুমি রবে পাশে, যে ব্যক্তির নাশে
কাল বিপদে দেখবে, সে তোমার পাশে

কবির নৈতিকতা (sonnet)





 

কবি বড়ই আবেগী ও গম্ভীরময়
কবি কথা কয়, হাসে, একাকী কল্পনে
কখনো করুন কান্না করে সে নির্জনে
সুখে-দুখে সম ভাবে চিন্তন সদয়
সে বড়ই মর্মে বাধা, ত্যাগে নিরাময়
নৈতিকতার চেতনা করে প্রতিক্ষণে
রত্ন রূপী নীতি ভরে, তার নিজ মনে
নীতিতে জীবন-গল্প করে সজ্জাময়

সবে হতে পারে দক্ষ, তার স্ব-পেশাতে
তবে কবি কেন দক্ষ হবেনা মহত্বে?
তার চিন্তা বড় ব্যস্ত নীতি কবিতাতে
তাই গবেষণা করে আদর্শের তত্ত্বে
কবির গৌরব নয়, আত্ম ধন-রত্নে ;
কত ভারি নীতি চিন্তা, রাখে বড় যত্নে

ভালবাসা ভাল সত্ত্বা (sonnet)




ভালবাসার প্রথায় কেন অশ্লীলতা?
কেন স্বার্থ আশা কর তুমি ভালবেসে?
কিছু পেতে কত মিথ্যা ছল অবশেষে।
ভালবাসা ওসে নয় তা প্রলভনতা।
ভালবাস বলে কেন নিচু মানবতা?
কেন নত সব দিতে তাকে ভালবেসে?
কিছু দিলে তবে কেন ব্যাথিত না হেসে?
ভালবাসা ওসে নয় তা তো কার্পণ্যতা।

ভালবাসা শব্দটির মানে হিতৈষণা।
তার মঙ্গলের লক্ষে করা হিত সাধ্য।
তবে তা সত্য ন্যায় ও নিষ্পাপে সাধনা।
ভালবাসা ভাল সত্ত্বা হতে করে বাধ্য।
সম্পর্ক বা শারীরিক ভালবাসা নয়।
ভালবাসা বিনা স্বার্থে সর্বদা সদয়।

____ঢাকা ১৪/০৩/২০১৬

শিলাবৃষ্টি (sonnet)




 


পা ভেজাতে চাইলাম শীতের শিশিরে,
মাতাব বলে হৃদয়, তার ঠাণ্ডা স্পর্শে
লিখিব বলে কবিতা, আজি তার হর্ষে
আমি যবে জুতা খুলে পা দিব শিশিরে,
তার পূর্বেই ঘটল  ঘটনা অচিরে
হঠাৎ তাকিয়ে দেখি, চোখে ফুল সর্ষে ;
ঝড়ো-ঝড়ো শিলাবৃষ্টি বর্ষে আর বর্ষে।
শিশির হল বিলীন পানিদের ভীরে

স্বপ্ন ছিল হৃদ-মাঝে পুলক মিশাব
কিন্তু যন্ত্রণা পেলাম শিলার আঘাতে
ইচ্ছা ছিল স্ফূর্তি যুক্ত কবিতা লিখিব
সে ইচ্ছেটা ভস্ম হল ভাগ্যের লেখাতে
তবুও থেমে থাকেনি কবিতা রচন
কবিতায়  যুক্ত  হল  বেদন-বচন