Showing posts with label চতুর্দশপদী কবিতা. Show all posts
Showing posts with label চতুর্দশপদী কবিতা. Show all posts

চোখ ধাঁধানো সুন্দর (sonnet)





তোমার জন্যে হাজার মানবের ভীর,
চারিদিকে সৃষ্টি হবে, তব বেষ্টনীতে ;
যদি ঐ সুরৎ রয়  পর্দার মুক্তিতে
তৃষিত হবে না কেউ চক্ষু করে চির ;
ঝিমিয়ে যাবে পা দুটো- মনটা অস্থির
সবে হিসেব মেলাতে অক্ষম যুক্তিতে
ধাঁধাবে- এ কি দেখছি এই পৃথিবীতে!
চেতনা ভীষণ ভাবে হয়ে যাবে থির

তুমি সত্যি তীব্র চোখ ধাঁধানো সুন্দর
যার আধিক্যটা, হার মানায় চিন্তাকে
পৃথিবীতে কত গ্রাম, শহর, বন্দর!
যেন সবাই অক্ষম ডিঙ্গাতে তোমাকে
আমার দুচোখে তুমি একটাই মাত্র!
চুম্বকীয় সৌন্দর্যের  প্রতিমার গাত্র

ভ্রাতৃত্ব বোধ (Sonnet)





দুঃখ ভাগ করে নাও ; দুঃখ কমে যাবে
সামান্য এ নব দুঃখে কিছুই হবে না
সেই দুঃখ জীবনকে নোয়াতে জানেনা ;
বরং কর্তব্য সাধ্যে আত্ম তৃপ্তি পাবে
সুখ ভাগ করে দাও ; সুখ বেড়ে যাবে
কোন সুখ বিসর্জনে প্রশান্তি কমে না ;
ঐ সুখের ভাগাভাগি আধার ডাকে না ;
বরং সুখ বিলিয়ে আত্ম তৃপ্তি পাবে

মোরা পৃথিবীতে সবে একই মানুষ
একজনই আমাদের উচ্চ-আদি পিতা
ভ্রাতৃত্ব-বোধে উচিত রাখা সদ্য হুশ
নয়ত হবে না তব  মনুষ্যত্বে জিতা
আজ তুমি রবে পাশে, যে ব্যক্তির নাশে
কাল বিপদে দেখবে, সে তোমার পাশে

ভালবাসা ভাল সত্ত্বা (sonnet)




ভালবাসার প্রথায় কেন অশ্লীলতা?
কেন স্বার্থ আশা কর তুমি ভালবেসে?
কিছু পেতে কত মিথ্যা ছল অবশেষে।
ভালবাসা ওসে নয় তা প্রলভনতা।
ভালবাস বলে কেন নিচু মানবতা?
কেন নত সব দিতে তাকে ভালবেসে?
কিছু দিলে তবে কেন ব্যাথিত না হেসে?
ভালবাসা ওসে নয় তা তো কার্পণ্যতা।

ভালবাসা শব্দটির মানে হিতৈষণা।
তার মঙ্গলের লক্ষে করা হিত সাধ্য।
তবে তা সত্য ন্যায় ও নিষ্পাপে সাধনা।
ভালবাসা ভাল সত্ত্বা হতে করে বাধ্য।
সম্পর্ক বা শারীরিক ভালবাসা নয়।
ভালবাসা বিনা স্বার্থে সর্বদা সদয়।

____ঢাকা ১৪/০৩/২০১৬

শিলাবৃষ্টি (sonnet)




 


পা ভেজাতে চাইলাম শীতের শিশিরে,
মাতাব বলে হৃদয়, তার ঠাণ্ডা স্পর্শে
লিখিব বলে কবিতা, আজি তার হর্ষে
আমি যবে জুতা খুলে পা দিব শিশিরে,
তার পূর্বেই ঘটল  ঘটনা অচিরে
হঠাৎ তাকিয়ে দেখি, চোখে ফুল সর্ষে ;
ঝড়ো-ঝড়ো শিলাবৃষ্টি বর্ষে আর বর্ষে।
শিশির হল বিলীন পানিদের ভীরে

স্বপ্ন ছিল হৃদ-মাঝে পুলক মিশাব
কিন্তু যন্ত্রণা পেলাম শিলার আঘাতে
ইচ্ছা ছিল স্ফূর্তি যুক্ত কবিতা লিখিব
সে ইচ্ছেটা ভস্ম হল ভাগ্যের লেখাতে
তবুও থেমে থাকেনি কবিতা রচন
কবিতায়  যুক্ত  হল  বেদন-বচন

আমি পারব না (চতুর্দশপদী কবিতা)


তুমি যদি বল, "নিজেকে সংযত রেখে,
ইসলাম ও ন্যায় পথে চলতে হবে।
জীবনকে উজ্জল করে গড়তে হবে।"
তা আমি দিব্যি পারব দাড়াব না রুখে।
কিন্তু যদি বল আমাতে বিক্ষণ রেখে,
"তোমাকে অসাধারণ সুন্দর হতে হবে।
সুঠাম দেহের অধিকারী হতে হবে।"
"তা আমি পারব না", ধ্বনিত হবে মুখে।

আমি অনেক কিছু জয় করতে পারি।
সৃজনী চেতনা ঠাসা আমার মাথায়।
কিন্তু নিজেকে কি বিকৃত করতে পারি?
যা পেয়েছি সেটাও স্রষ্টার করুনায়।
আমি নিজে যা তাতেই তৃপ্ত নয় ক্ষিপ্ত।
তার তরে করি শুকরিয়া ও প্রভুত্ব।

____বগুড়া ২৫/০১/২০১৬

জ্ঞানের আর্বতন (sonnet)


জ্ঞান তোকে ভালোবাসে মানব সকলে।
মিথ্যে নয় মৃদুও নয় প্রকটভাবে।
আশায় থাকে তব দেখা কখন পাবে।
তোকে পাবার আগে ছুটেছে কুলে-কুলে,
ঘুরেছে ডালে-ডালে,থেকেছে বহু হালে।
কিন্তু তব প্রাপ্তির আশা মিটেছে কবে?
ক্রমাগত তুমি আসিতেছ নব ভাবে!
তাই তো দেখি তোকে আর্বতনের ছলে।

তোর তারনে, আজ দূর্জয় হচ্ছে জয়;
পূর্বের অসম্ভব আজ হচ্ছে সম্ভব;
কোন সময়ের ধারনা কিংবা কল্পনা,
আজকে দেখ সেটি কল্পনা নয়;
হয়েছে চাক্ষুষ,প্রমানিত ও বাস্তব।
তাই তোকে মানব একবারে ধরেনা।

পেটা লোহা

___ ফয়সাল আহমেদ


হে নব জোয়ান, তুমি কেন চিন্তা কর!
তুমি শুধু রয়ে যাও, তব মত করে ;
তোমার দৈনন্দিনের  কার্য-হাল ধরে
পেটা লোহার সহিত মিছে কেন লড়!
হে নব জোয়ান, তুমি কেন চিন্তা কর?
কত প্রচেষ্টা করেছ কত দিন ধরে!
তবু সামান্য বাঁকেনি, সে তোমার তরে
তাই চেষ্টা থেমে দিয়ে, আজ ধৈর্য ধর

কোন একদিন,  সূর্য-তাপ তেজী হয়ে,
আঁকড়ে ধরিবে তার বাহুর চৌদিশে
তবে কি আর পারিবে,  সে অক্ষুণ্ণ রয়ে?
খুঁজে পাবে নাতো আর, অন্য কোন দিশে ;
শুধু লালে নেবে রূপ, তাপে জ্বলে জ্বলে ;






 

অদৃষ্ট শুভক্ষণ

 .......ফয়সাল আহমেদ
 
তব ঐ চোঁখে আমি ধৃত হব যখন,
অপলকে আমার দিকে চেয়ে থাকবে;
আমাকেই নিয়ে ভাববে গভীরভাবে;
কাঠিন্যতা ভেংগে যাবে, শান্ত হবে মন;
কিন্তু খুঁজবে নাকো এর কিবা কারণ।
শুধু তুমি ক্রমে আমার কাছে আসবে;
করবে তুমি আমার প্রতি সমর্পণ।

তবে, আর রইবেনা মোর একাকিত্ত্ব;
থাকবে নাকো আর বিষাদ ভরা মন;
নব আলপনায় মেতে উঠবে চিত্ত;
চৌদিশে দেখা দিবে, অদৃষ্ট শুভক্ষণ।
এতদিনে যে স্থানটা হয়ে ছিল শুন্য,
সেটা আর রইবেনা, হয়ে যাবে পূর্ণ।



চুরি করে



















এই তো সেদিন দিলি, মোরে তুই প্রমা,
দুই দিনের মহিতে গড়ি মোরা নাম,
আত্মার প্রস্থানে রবে না দেহের দাম।
তবে কেন চুরি করে চলে গেলি রে মা!
জিম্মি করে কি নিতাম, আমি নয়া জামা?
মিঠাই খেতে কি আমি জিদ করিতাম?
নাকি পুতুল খেলার খেলনা নিতাম?
তবে কেন চুরি করে চলে গেলি রে মা!

যাবার পূর্বে আমায় জানাতিস যদি,
শিকল পড়ে দিতাম তোর দুটি পায়
কিছু দিয়ে ঘিরিতাম বাড়ির চেীহদ্দি।
তবুও যদি যেতিস ছেড়ে এ আমায়,
তবে কষ্ট কম হত ; হেতু ভাবিতাম,
চেষ্টা করেও পারিনি- তা মেনে নিতাম
___ ফয়সাল আহমেদ